- googleplus
- youtube
- flickr
- envato
- behance
- vimeo
Latest News:
Welcome to
Saturday, 21 May 2016
গাড়িতে বসে থাকাই চাকরি, মাসে বেতন চার লাখ..!
যে চাকরিতে বেতন মেলে প্রচুর, অথচ কাজের চাপ তেমন নেই। দেশের বাইরে এমন লোভনীয় বেতনে চাকরি দিচ্ছে গুগল। মাস প্রতি বেতন প্রায় তিন লাখ ৭৮ হাজার টাকা, কিন্তু কাজ বলতে কেবল চুপচাপ বসে থাকা! আবার বসে থাকার জায়গাটা অফিস নয়। বসে থাকতে হবে গাড়ির ভিতরে। গুগল কার-এর ভিতরে। খামোখা গাড়ির ভিতরে বসে থাকার জন্য এত টাকা কেন দিচ্ছে গুগল? আসলে গুগল-এর স্বয়ংক্রিয় চালকহীন গাড়ি রাস্তায় বেরোবার আগে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে ফেলেছে। গাড়ি না হয় চালক ছাড়াই চলবে! কিন্তু, যে সব গাড়ি চালকরাই চালাবেন, তারা তাল মিলিয়ে চলবেন তো এই স্বয়ংক্রিয় গাড়ির সঙ্গে? তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এমন চাকরির প্রস্তাব এনেছে গুগল। যে চাকরিতে বসে থাকতে হবে স্বয়ংক্রিয় গুগল গাড়ির ভিতরে। বসে বসে নজর রাখতে হবে গাড়ির গতিবিধির উপরে। বিপদে পড়লে, তবেই একমাত্র হাতে নেওয়া যাবে স্টিয়ারিং। যার জন্য ঘণ্টায় মিলবে ২০ ডলার। সপ্তাহে ৫ দিন আসতে হবে কাজে। কাজ করতে হবে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা মতো! তবে একা নয়, প্রয়োজন মতো ২ বা ১০ জনের দলে ঠাঁই হবে। ভাল করে সব কিছু খুঁটিয়ে দেখে দিনের শেষে তৈরি করতে হবে একটা রিপোর্ট। এছাড়া, মাসে অন্তত একবার কর্মসূত্রে যেতেই হবে শহরের বাইরে। কাজের মেয়াদ চুক্তি অনুযায়ী এক কী দুই বছর! আক্ষেপ বলতে কেবল একটাই- চাকরির জন্য আরিজোনার ফিনিক্সের বাসিন্দা ছাড়া আর কাউকে যোগ্য বলে মনেই করছে না গুগল!
ধর্ষনকারীদের হাত থেকে কিশোরীকে বাঁচালো ভূত
রাত প্রায় দশটা৷ ফাঁকা দিল্লির রাস্তা৷ ১৭ বছরের কিশোরীর পিছু নিয়েছে দুই মাঝবয়সী লোক৷ মেয়েটা বুঝতে পারছে লোকগুলোর উদ্দেশ্য মোটেও ভাল না৷ আচমকা লোক দু’টো খপ করে ধরে ফেলল মেয়েটার হাত! এমন সময় যে কেউ হলেই চিৎকার করে উঠত ভয়ে৷
কিন্তু, দিল্লির খ্যাতি খান্ডেলওয়ালের বন্ধুটি তা করেনি৷ বরং মাথা খাটিয়ে বের করে এক অভিনব উপস্থিত বুদ্ধি৷ এমন ব্যবহার করতে লাগে যেন ভূতে ধরেছে তাকে৷ দুষ্কৃতিদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য অসম্ভব জোরে খামছে ধরে এক দুষ্কৃতির হাত, যাতে রক্ত বেরিয়ে আসে৷
তারপর সেই রক্ত নিজের মুখে মেখে অস্বাভাবিকভাবে দু’জনের দিকে তাকিয়ে ভয়ঙ্করভাবে হেসে ওঠে৷ মানুষ ভেবে জোর খাটানো দুষ্কৃতিদের তখন আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার জোগাড়৷ পড়িমরি করে ছুটে পালায় ঘটনাস্থল থেকে৷ বন্ধুর হয়ে পুরো ঘটনাটি ফেসবুকে লিখে জানিয়েছে খ্যাতি৷
১৭ বছরের নিজের নাম জানাতে ইচ্ছুক নয় বলে নাম দেওয়া যায়নি তার৷ তবে, বন্ধুর উপস্থিত বুদ্ধিতে গর্বিত সে৷ তবে, এই ঘটনায় আবার দিল্লিতে নারী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল৷ বিপদের সময় ক’জনেরই বা ভূতের অভিনয় করার বুদ্ধি বা সাহস থাকে?
Thursday, 19 May 2016
=> ভয় পেলে বা ঠান্ডা লাগলে কেন শরীরের লোম দাড়িয়ে যায় জানেন?
আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে, ভয় পেলে, ঠান্ডা লাগলে
কিংবা আরও অন্যান্য কারণে অনেক সময়ই আমাদের গায়ের
লোম দাড়িয়ে যায়। অর্থাত্ আমাদের ত্বকের
রোমকূপগুলি শক্ত হয়ে ওঠে। একেই আমরা চলতি
কথায় গায়ে কাঁটা দেয়া বলে থাকি। কিন্তু এটা
কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে, এটা কেন বা কীভাবে হয়?
কাঁটা দেওয়ার ব্যাপারটা প্রত্যেক স্তন্যপায়ীর
শরীরেই হয়ে থাকে। স্তন্যপায়ী প্রাণীর
শরীরে লোম থাকে। ত্বক যখন ঠান্ডার সংস্পর্শে
আসে, তখনই সেই ঠান্ডার হাত থেকে ত্বককে
বাঁচাতে নিজে থেকেই একটা আবরণ তৈরি
করে নেয়। সেই আবরণকেই আমরা
কাঁটা বলে থাকি। আসলে এই কাঁটা দেওয়াও
হরমোনের ব্যাপার। ঠান্ডা বা ভয়ের কারণে
শরীরের হরমোনে উত্তেজনা দেখা দিলে
তখনই ত্বক এই আবরণ তৈরি করে।
=> রাতে যে ১০টি খাবার খেলেই বিপদ..!
কেউ কি কখনো ভেবেছেন, রাতে আমরা যা খাচ্ছি তা স্বাস্থ্যসম্মত কিনা? রাতে কারো ভাত, কারো দুধ না খেলে ঘুম আসে না। অনেকের আবার রাতে ঘুমের আগে দুধ খাওয়া চাই-ই-চাই।
অতিরিক্ত রাত জাগার কারণে অনেকেরই আবার রাতে ভাজাভুজি, চকোলেট খাওয়ার বদভ্যাস থাকে। এই সব বদভ্যাস থেকে ওজন যেমন বাড়ে তেমনই শারীরিক সমস্যাও বাড়তে থাকে।
তবে এমন ১০টি খাবার আছে, যা রাতে খেলে আপনার জন্য বিপদ আছে।
মিষ্টিঃ
রাতে খাওয়ার পর মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই থাকে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে শরীরে শিথিলতা যেমন আসে, তেমনই ওজনও বাড়ে তরতর করে।
দুধঃ
রাতে শোওয়ার আগে অনেকেই গরম দুধ খান। তবে হোল মিল্ক না খেয়ে ফ্যাট ফ্রি দুধ খান। দুধের ল্যাকটোজ রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। সাদা
ভাতঃ
রাতে বাড়ি ফিরে জমিয়ে ভাত না খেলে অনেকেরই ঘুম আসে না। তবে পেশি সচল রাখতে রাতে ভাত না খাওয়াই ভাল।
পিজাঃ
রাতে আলস্য লাগলে পিজা অর্জার দেওয়া খুবই কমন ব্যাপার। জানেন কি খারাপ কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটে ভরপুর পিজা আপনার হজমের গণ্ডগোল ঘটাতে বাধ্য? স্পাইসি
ফুডঃ
রাতে বেশি তেল মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া উচিৎ নয় আমরা সকলেই জানি। মানি কি?
আলু ভাজাঃ
রাতে ঘুম না এলেই মুচমুচে আলু ভাজা। পড়েই অনেকের জিভে জল আসছে। এর স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও সোডিয়াম শরীরের প্রচুর ক্ষতি করে।
ব্রকোলিঃ
অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবার। তবে রাতের জন্য নয়। এর প্রচুর পরিমাণ ফাইবার হজম হতে সময় নেবে। ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।
অরেঞ্জ জুসঃ
অনেকেই রাতে ঘুমনোর তেষ্টা মেটাতে, আবার মিষ্টি স্বাদ পেতে গলায় ঢালেন অরেঞ্জ জুস। এর অ্যাসিডিক প্রকৃতি হজমের সমস্যা বাড়ায়।
চকোলেটঃ
বিশেষ করে ডার্ক চকোলেটের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যাফেন। যা স্নায়ুর উদ্দীপনা বাড়িয়ে তোলে। ঘুমের সময় প্রয়োজন ঠিক উল্টটা।
আইস ক্রিমঃ
আইস ক্রিমে থাকা সুগার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে মেটবলিজমে ব্যাঘাত ঘটায়।
=> মাখনের ৭টি অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা…
বছরের পর বছর যাবত মাখনকে ফ্যাটি ফুড হিসেবে হৃদরোগ ও স্থূলতার জন্য দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি এটি স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। হ্যাঁ, এটি শুধু মুখরোচকই নয় স্বাস্থ্যকর ও বটে। মাখনের বিভিন্ন রকমের স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। মাখন সরাসরি পাউরুটির সাথে বা স্যান্ডউইচের সাথে খাওয়া যায়। আবার স্বাদ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন রকম রান্নায় ও ব্যবহার করা যায়। মাখনের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই চলুন ...
১. খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধঃ
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, স্থূলতার সমস্যাটির সাথে ডেইরি প্রোডাক্ট গ্রহণের কোন সম্পর্ক নেই। মাখনে অ্যাক্টিভেটর এক্স নামক যৌগ থাকে যা দেহকে অত্যাবশ্যকীয় খনিজ উপাদান শোষণে সাহায্য করে। যখন আমাদের শরীর খনিজ উপাদান গ্রহণ করে তখন তা ক্ষুধা কমতে সাহায্য করে। মাখনে আয়োডিন, সেলেনিয়াম, লেসিথিন এবং লরিক এসিডের মত কার্যকরী খনিজ উপাদান থাকে।
২. মাখনে প্রয়োজনীয় ভিটামিন থাকেঃ
মাখন ভিটামিন সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন ই থাকে যা ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে। আশ্চর্যজনকভাবে মাখনে অনন্য ভিটামিন কে২ থাকে যা চর্বিকে দ্রবণীয় করতে পারে। কে২ ভিটামিন প্রোস্টেট ক্যান্সার, হাড় ভাঙ্গা এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি কমায়। মাখন খেলে নারীর উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
৩. লিনোলেইক এসিড থাকেঃ
মাখনে লিনোলেইক এসিড নামক যৌগ থাকে। এটি শরীরের বিপাকের উপর প্রভাব বিস্তার করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও মাখনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফ্রি যার্ডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
৪. স্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকেঃ
বেশিরভাগ মানুষ মনে করে যে সব ধরণের স্যাচুরেটেড ফ্যাট খারাপ। কিন্তু অনেক গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, এদের মধ্যে কিছু আছে শুধুমাত্র অত্যাবশ্যকীয়ই না বরং অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এই স্বাস্থ্যকর সম্পৃক্ত চর্বিগুলো ভালো কোলেস্টেরল HDL এর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই HDL কোলেস্টেরল ব্রেইন ও নার্ভাস সিস্টেমের ডেভেলপমেন্টে সহায়তা করে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।
৫. ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি এসিডের ভারসাম্য রক্ষা করেঃ
মাখনে এরাকিডোনিক্স এসিড থাকে যা ব্রেইন ফাংশন, স্কিন হেলথ ও প্রোস্টাগ্লান্ডিনের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
৬. উলজেন ফ্যাক্টর থাকেঃ
হরমোনের মতোই একটি কার্যকরী পদার্থ উলজেন ফ্যাক্টর। এটি জয়েন্টের শক্ত হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে, সেই সাথে আরথ্রাইটিস ও প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এই উপাদানটি ক্যালসিয়ামকে জয়েন্টের চেয়ে হাড়ে জমা হতে সাহায্য করে। এটি শুধুমাত্র এ্যানিমেল ফ্যাট যেমন- ক্রিম বা দুধে পাওয়া যায়। তবে উলজেন ফ্যাক্টর কাঁচা মাখন এবং ননীতে পাওয়া যায়।
৭. বিটা ক্যারোটিনঃ
মাখনে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে যা চোখের জন্য ভালো। এটি চোখের সুরক্ষায় অবদান রাখে। এছাড়াও কোষের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে, ছানির গতিরোধ করে, মেকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার সুযোগ কমায় এবং চোখের অন্যান্য সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
সতর্কতাঃ
মাখনের এত পুষ্টি উপকারিতা সত্ত্বেও ভুলে গেলে চলবেনা যে এটি মূলত চর্বি জাতীয় খাদ্য। অধিক পরিমাণে গ্রহণ করলে স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। তাই সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Copyright © 2014 Purba Medinipur Barta ¢ পূর্ব মেদিনীপুর বার্তা All Right Reserved







