Latest News:

KEDAR INFO SERVICE (PRIVATE COMPUTER TRAINING, SERVICE, MOBILE REPAIR TRAINING, VIDEO MIXING TRAINING, ONLINE MOBILE-DTH RECHARGE (ALL INDIA) *** Mobile : 9647225226 ***** Contact For : Blog-Website Design and "ADVERTISE"

Welcome to

Welcome to
WELCOME to All My Blog Visitors!!! এই ব্লগ দেখার সময় সাউন্ড সিস্টেম অন করুন.. এই ব্লগ দেখতে দেখতে আপনারা বাংলা এফ রেডিও চ্যানেল থেকে সরাসরি গান শুনতে পাবেন.... ব্লগ ডিজাইন ও বিজ্ঞাপনের জন্য আজই যোগাযোগ করুন.... ভিডিও এডিটিং সফ্টওয়্যার (পিনাকেল, এডোব প্রিমিয়ার ও এডিয়াস ডঙ্গল) আপনার প্রয়োজন............ মোবাইল-ডিটিএইচ রিচার্জ এজেন্সী নিতে চান........ এস্ট্রোলজি সফ্টওয়্যার (কোষ্ঠী বিচার) আপনার প্রয়োজন... এছাড়া কম্পিউটার সফ্টওয়্যার-কম্পিউটার টিপস..রোজগার বিষয়ক তথ্য জানতে আমাকে ই-মেল করুন... সবাইকে আমার পক্ষ থেকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।সবার প্রতিটি দিন ভাল মত কাটুক এই কামনা করি

Thursday, 19 May 2016

Health Tips : এই ভেপসা গরমে ঘামাচি থেকে মুক্তি পেতে…


গরম কাল মানেই নানান রকম রোগের প্রকোপ। বিশেষ করে চর্মরোগের। হ্যাঁ, চর্মরোগের জন্য গরম একটা আদর্শ মৌসুম।

কেননা এই সময়ে শরীরে ঘাম প্রচুর হয়, আর সেই ঘামের কারণেও জন্ম নেয় নানান রকম অসুখ বা চর্মরোগ। ঘামাচির কথাটাই ধরুন। গরম এলে অনেকেরই বাড়ে এই ঘামাচির যন্ত্রণা, আবার শীত এলেই কিন্তু গায়েব। ঘামাচি ছাড়াও আরও কিছু বেশ সিরিয়াস ধরনের চর্মরোগ আছে যারা কিনা গরমে বেড়ে যায়। ঘামাচি নিয়েই আজকের আলোচনা।

ঘামাচি?

গরমকালের একটি বিব্রতকর রোগের নাম হচ্ছে ঘামাচি। এ রোগটি গরমকালেই হয়। শীত এলে আপনা আপনিই রোগটি ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগটির নাম হলো মিলিয়ারিয়া। এটি একটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ।

গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ হতে থাকে ফলে তখনকার এত বেশি পরিমাণ নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থির নালীকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে, যা পানিভর্তি ছোট ছোট দানার আকারে ফুলে উঠতে দেখা যায় এবং যা চুলকায় এবং তাতে সামান্য জ্বালাপোড়া ভাবও থাকে।

মূলত এটাই হচ্ছে ঘামাচি।এই রোগ মুক্ত থাকার সাথে অর্থনৈতিক সচ্ছলতার একটা সম্পর্ক আছে। যেমন ধরুন কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে, অফিসে এবং গাড়িতে এয়ারকুলার ব্যবহার করেন তবে বলা যায়, তার এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা গরমকালেও নেই।

যারা তা পারেন না তাদের সব সময়ই ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি ফ্যান অন্তত সার্বক্ষণিকভাবে মাথার ওপরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। খোলামেলা অর্থাৎ আবদ্ধ ঘর না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

ঘামাচি তিন ধরনের হয়। প্রথমে আসা যায় মিলিয়ারিয়া, কৃস্টালিনা­ এ ক্ষেত্রে ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না।

দ্বিতীয়টি অর্থাৎ মিলিয়ারিয়া, রুবরার ক্ষেত্রে ঘর্মনালীতে বদ্ধতা দেখা দেয় এবং এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরে ছোট ছোট অসংখ্য গোটা হতে দেখা যায় এবং গোটার মাথায় পানির দানা থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে এবং ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে আপেক্ষিকভাবে লালচে রঙের দেখা যায়।

এ ক্ষেত্রে থাকে প্রচণ্ড চুলকানি, যা শরীরের মূল অংশ অর্থাৎ বুক, পিঠ ও ঘাড়ে বেশি হতে দেখা যায়। তৃতীয়টি বা মিলিয়ারিয়া প্রফান্ডা এর ক্ষেত্রে ঘর্মানালীর বদ্ধতা থাকে ত্বকের অনেক গভীরে। ফলে ত্বক দেখতে অনেকটা স্বাভাবিক ধরনের বলে মনে হতে পারে।

এ তিনটির মধ্যে দ্বিতীয়টির আক্রমণ হয় বেশি তীব্র। একে Heat rash-ও বলা হয়ে থাকে। গরম ও স্যাঁতস্যেঁতে আবহাওয়ায় এ রোগ বেশি হয়। তেল মাখলে এ রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। যারা এ রোগে ভুগছেন তারা গরম স্যাঁতস্যেঁতে ও আবদ্ধ পরিবেশ এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Fun Story : বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে।

Fun Story : বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে। 
যেখানেই ধরি না কেনো, সেটাই মনে হচ্ছে ভেঙ্গে টুকরো হয়ে যাচ্ছে!"

ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "কি বলছো হে!"
সান্টা বললো, "এই দেখুন, আমি কাঁধে ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে 
অসহ্য ব্যথা করছে। এই দেখুন হাঁটুতে ধরলাম - আউচ!! তারপর দেখুন 
কপালে হাত দিলাম, ওফ কি ব্যথা!"

ডাক্তার একটা দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে বললেন, "সান্টা সিং, 
অসুখটা আমি ধরতে পেরেছি। তোমার আঙ্গুলটা ভেঙ্গে গেছে!"

Bনোদন : তামিল এই অভিনেতার রয়েছে চমকে দেয়ার মতো বিশ্বরেকর্ড..?


তার নাম ব্রহ্মানন্দম। পুরো নাম ব্রহ্মানন্দম কান্নেগান্টি। বয়স ৬০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের তামিল ছবিতে এক নম্বর কমেডিয়ান। অবশ্য তার এই বিশ্বরেকর্ডটি অবাক করে দেয়ার মতো।

একের পর এক পুরস্কার পেয়েছেন ব্রহ্মানন্দম। পেয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানও। এই সবের বাইরে তার নাম রয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ। পৃথিবীতে জীবিত অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি সংখ্যক ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি!

ভারতের তামিল রাজ্যের সবক’টি ভাষার ছবিতেই তিনি অভিনয় করেছেন। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তিনি সূর্যবংশম ছবিতে অভিনয় করেছেন। অভিনয় করছেন ১৯৮৭ সাল থেকে। তার মতো জনপ্রিয়তা দক্ষিণ ভারতের অনেক নায়কেরও নেই। ব্রহ্মানন্দমকে ছা়ড়া যেন দক্ষিণী ছবি অসম্পূর্ণ।

=> Fun Story : এক শ্বাশুড়ি তিন জামাইয়ের ভালবাসা পরিক্ষার সিদ্ধান্ত নিলো...

.
প্রথম দিন - শ্বাশুড়ি পুকুরে ঝাপ দিল... প্রথম জামাই বাঁচানোর জন্য পুকুরে লাফ দিলো... শ্বাশুড়ি খুশি হয়ে তাকে একটা গাড়ি দিলো...
.
দ্বিতীয় দিন - আবার পুকুরে ঝাপ দিল... দ্বিতীয় জামাইও তাকে বাঁচাল আর শ্বাশুড়ি তাকেও একটা বাইক গিফট করল। 
.
এবার তৃতীয় দিন - আবার পুকুরে ঝাপ দিল... তিন নম্বর জামাই মনে করলো আমার ভাগ্যে
তো সাইকেল ছাড়া কিছু নাই তাই সে আর ঝাপ দিলো না আর !!! 
.
শ্বাশুড়ি মারা গেলো !!!
.
পরের দিন ওই জামাই একটা BMW পেলো !!!
.
কিন্তু কেমন করে ???
.
.
.
.
শ্বশুর দিয়েছে !!!

=> Fun Story : একদিন বিল্লু তার আর এক বন্ধুর সঙ্গে বাংলা আধুনিক গান


=> Fun Story : একদিন বিল্লু তার আর এক বন্ধুর সঙ্গে বাংলা আধুনিক গান নিয়ে চর্চা করছিল। বিল্লুর বন্ধু বলছিল আজকালকার গানগুলো খুব ভাল। আর বিল্লুর কথায় বাংলা গানের ছিরিছাদ নেই। তো জোর তর্ক শুরু হল।
বিল্লুর বন্ধু বলল ঠিক আছে আমি তাহলে বাংলা গান একটা করে গাইছি তুই বল এর মধ্যে খারাপটা কি।
বন্ধু : "চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে..."
বিল্লু : প্রশ্ন শোনো!!! যেন রোজ বাকিদের বাড়িতে এসে চা খেয়ে যায়!!! বন্ধু : "মন মানে না..."
বিল্লু : তোর মন মানে না তো কার বাবার কি হতভাগা!!!
বন্ধু : "পরাণ যায় জ্বলিয়া রে..."
বিল্লু : আগে জল ঢেলে আগুন নেভা তারপর জ্বলা জায়গায় Savlon লাগা ঠিক হয়ে যাবে। ভিতর থেকে জ্বালা হলে পুদিনহারা খা, নিশ্চই চোঁয়া অম্বল হয়েছে।
বন্ধু : "ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও?..."
বিল্লু : নিজেও জানিস না তোর বন্ধু কানে শোনে কি না...!!!
বন্ধু : "দুই পৃথিবী..."
বিল্লু : হ্যাঁ রে, একটা তোর আর একটা তোর শ্বশুরের !!!
বন্ধু : খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে....
বিল্লু : কেন রে! দিনের বেলা দেখতে পাস না বুঝি?

=> ১৯১৪ সালের ডিসেম্বরের রাত।


নিউজার্সির অরেণ্জ শহরে -একটি ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগেছে। যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন ডলার। ফ্যাক্টরীর মালিক বলতে গেলে তাঁর জীবনের সমস্ত সন্চয় ব্যয় করেছেন ফ্যাক্টরিটি তৈরীর পেছনে। মালিক ফ্যাক্টরীর বাইরে দাঁড়িয়ে আগুনের শিখা দেখছেন। আর মিটিমিটি হাসছেন। পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর ২৪ বছরের ছেলে চার্লস। ভদ্রলোক, ছেলেকে হাসতে হাসতে বললেন- যা তোর মাকে তাড়াতাড়ি ডেকে নিয়ে আয়। এমন সুন্দর আগুন একসাথে দেখার সৌভাগ্য মানুষের খুব কমই হয়। মা এসে দেখলেন- তার স্বামীর মুখে হাসি আর পুত্রের চোখে কান্না।
পরদিন ভোরে স্বামী আর স্ত্রী একসাথে হাঁটতে বেরিয়েছেন। একসময় স্ত্রী স্বামীকে বললেন- শুধু তোমার ফ্যাক্টরীই পুড়েনি, তোমার সারা জীবনের সন্চয়ও একসাথে পুড়ে ছাই, ভস্ম হয়ে গেছে। তোমার বিশ্বাস ছিলো ফ্যাক্টরি সম্পূর্ণরুপে ফায়ারপ্রুফ। কোনোদিন আগুনে কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা। তাই ভালোভাবে ইন্সুরেন্স না করায় কোনো টাকাও ফেরত পাবেনা। এসব কিছু জানার পরও তুমি এরকম শিশুর মতো হাসছো?
ভদ্রলোক বললেন- কারখানা পুড়েছে কই? আমিতো কোথাও কোনো পুড়া কারখানা দেখলাম না। তবে হ্যাঁ, দেখেছি শুধুই আগুণ।
তোমার কি রাতে ভালো ঘুম হয়নি?সবকিছু হারিয়ে তুমি কি পাগল হয়ে গেছো? নিজের চোখের সামনে দাউ দাউ করে জ্বলে পুড়ে ছাই, ভস্ম হয়ে গেলো পুরো একটা কারখানা। আর তুমি বলছো-কোনো কারখানাই পুড়েনি। তুমি ঠিক আছোতো?
হ্যাঁ, রাতে খুব শান্তির ঘুম হয়েছে। আমিও পুরোপুরিই ঠিক আছি। আর ঠিক আছি বলেই বুঝতে পারছি- আগুনে কোনো কারখানা পুড়েনি, পুড়েছে শুধু আমার অহঙ্কার, পুড়ে শেষ হয়ে গেছে আমার জীবনের সব ত্রুটি,বিচ্যুতি আর ভুল। একটা কারখানা পুড়েছে, আরেকটা কারখানা তৈরী হবে তাতে কোনো দুঃখ নাই। তারচেয়ে বরং খুশী এই জন্য যে- আমার অহঙ্কার, ত্রুটি, বিচ্যুতি সব পুড়ে গিয়ে স্রষ্টা আমাকে নতুনভাবে আবারো জীবন শুরু করে দেয়ার একটা সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন।
ফ্যাক্টরীর মালিক এই ভদ্রলোক ছিলেন পৃথিবীর পাঁচজন সেরা বিজ্ঞানীর একজন টমাস আলভা এডিসন। আর যখন তিনি নতুন করে পুনরায় জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন, তখন তাঁর বয়স ছিলো ৬৭। উদ্যম, প্রেরণা আর ধ্বংসস্তূপ থেকে পুনরায় জীবন শুরু করার মতো মোটিভেশনের এমন অনুপম দৃষ্টান্ত আর কি হতে পারে?

=> Success Life Story : ব্যতিক্রমী সফল উদ্যেক্তা ওয়ারেন বাফেট


একজন ব্যতিক্রমী বিশ্ব ব্যক্তিত্ব। জীবনের শুরুতে ছিলেন হকার। বিক্রি করেছেন সংবাদপত্র। এক সময় মুদি দোকানেও কাজ করতেন এ উদ্যোক্তা। বর্তমানে ৬৩টি কোম্পানির মালিক। পৃথিবীর দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী হওয়া সত্বেও তার মধ্যে নেই কোন বিলাসিতা। ওয়ারেন বাফেট নাম তার।

সমপ্রতি তিনি সিএনবিসি-কে এক ঘণ্টার একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তুলে ধরেছেন জীবনের উত্থান কাহিনী। তার মতে, জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য নিজেকে আগে স্থির করতে হয় তার লক্ষ্য। তিনি এমনই এক লক্ষ্য নিয়ে মাত্র ১১ বছর বয়সে প্রথম শেয়ার কিনেছিলেন। তারপরও তিনি মনে করেন এ ব্যবসায় আসতে তার অনেক দেরি হয়ে গেছে। আরও আগে ব্যবসা শুরু করা উচিত ছিল। তাই তার পরামর্শ আপনার সন্তানকে বিনিয়োগে উৎসাহিত কর্বন। সংবাদপত্র বিক্রি করা অর্থ দিয়ে তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে ছোট্ট একটি ফার্ম কেনেন। তার মতে, অল্প অল্প করে জমানো অর্থ দিয়ে যে কেউ কিনতে পারেন অনেক কিছু। সেজন্য সন্তানদের তিনি কোন না কোন ব্যবসায় নিয়োজিত করার পরামর্শ দেন।

১৯৩০ সালের ৩০শে আগস্ট নেবরাসকা’র ওমাহা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন এই বরেণ্য ব্যক্তি। তার পিতার নাম হাওয়ার্ড বাফেট। ওয়ারেন হলেন তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। শৈশবে কাজ করেছেন মুদির দোকানে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে তিনি জমা দেন আয়কর রিটার্ন। সেখানে তিনি নিজেকে সংবাদপত্র বিলিকারী হিসেবে পরিচয় দেন। তার পিতা হাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর পর তিনি পড়াশোনা করেন ওয়াশিংটনের উডরো উইলসন হাই স্কুলে।

১৯৪৫ সালে তিনি হাই স্কুলে থাকতেই এক বন্ধুর সঙ্গে ব্যবহার করা একটি পিনবল মেশিন কেনেন মাত্র ২৫ ডলারে। মেশিনটি বসানোর মতো জায়গা ছিল না তাদের। তারা এক নাপিতের দোকানের ভেতরে তা বসিয়ে দিলেন। এর মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তারা বিভিন্ন স্থানে বসালেন একই রকম তিনটি মেশিন। এভাবেই তার ব্যবসায় যাত্রা শুরু। তিনি ১৯৫০ সালে ইউনিভার্সিটি অব নেবরাসকা থেকে অর্থনীতিতে অর্জন করেন বিএস ডিগ্রি। ১৯৫১ সালে কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে এমএস হন। ১৯৫১ থেকে ’৫৪ পর্যন্ত বাফেট-ফক অ্যান্ড কো.-তে ইনভেস্টম্যান সেলসম্যান হিসেবে চাকরি করেন।

USAনিউ ইয়র্কে গ্রাহাম-নিউম্যান করপোরেশনে সিকিউরিটি এনালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৫৪ থেকে ’৫৬ পর্যন্ত। এছাড়া তিনি বাফেট পার্টনারশিপ লি., বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি করেছেন। এর বেশির ভাগই তার নিজের। ১৯৬২ সালে তিনি পরিণত হন মিলিয়নিয়ারে। বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে হলো একটি টেক্সটাইল কারখানা। এখানকার প্রতিটি শেয়ার তিনি ৭.৬০ ডলারে জনগণের মাঝে ছেড়ে দেন। এক পর্যায়ে ১৯৬৫ সালে প্রতি শেয়ারের বিপরীতে কোম্পানি ১৪.৮৬ ডলার দেয়। এর মধ্যে ফ্যাক্টরি এবং সরঞ্জাম দেখানো হয়নি। এরপর তিনি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কেন চেস-এর নাম ঘোষণা করেন।

১৯৭০ সালে তিনি শেয়ার হোল্ডারদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত চিঠি লেখা শুর্ব করেন। শেয়ারহোল্ডারদের কাছে এ চিঠি ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। এ সময়ে বেতন হিসেবে তিনি বছরে পেতেন ৫০ হাজার ডলার। ১৯৭৯ সালে তার বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে প্রতি শেয়ারের জন্য ৭৭৫ ডলার দিয়ে ব্যবসা করতে থাকে। এই শেয়ারের দাম ১৩১০ ডলার পর্যন্ত ওঠে। এ সময়ে তার নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬২ কোটি ডলার। এর ফলে ফরবিস ম্যাগাজিনে প্রথমবারের জন্য তিনি ফরবিস ৪০০-তে স্থান পান। ২০০৬ সালের জুনে তিনি ঘোষণা দেন যে, তিনি বার্কশায়ার হোল্ডিংয়ের শতকরা ৮৫ ভাগ বার্ষিক উপহার হিসেবে পাঁচটি ফাউন্ডেশনে দিয়ে দেবেন এবং তা শুরু হবে জুলাই থেকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ দেয়া হয় বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনকে।

২০০৭ সালে তিনি শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে এক চিঠিতে জানান, শিগগিরই তিনি একজন তরুন উত্তরসূরি নিয়োগ দিতে লোক খুঁজছেন। ২০০৮ সালে তিনি বিল গেটসকে হটিয়ে নিজে হন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী। ফরবিসের মতে, তখন তার সম্পদের পরিমাণ ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। তবে ইয়াহু’র মতে তার তখনকার সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। এর আগে পর পর ১৩ বছর ফরবিস ম্যাগাজিনের হিসাবে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ছিলেন বিল গেটস। এর পর ২০০৯ সালে গেটস তার শীর্ষস্থান পুনর্বদ্ধার করেন। দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন ওয়ারেন বাফেট। ২০০৮ থেকে ২০০৯ অর্থবছরে ওয়ারেন বাফেট লোকসান করেছেন ১২০০ কোটি ডলার।

জীবন যাপন করেন অতি সাধারণ মানের। ৫০ বছর আগে বিয়ের পরে ৩ বেডরুমের যে বাড়িটি কিনেছিলেন এখনও সেখানেই বাস করেন। এমনকি বাড়িটির চারপাশে নেই কোন আলাদা প্রাচীর। তিনি বলেন, আমার যা কিছু দরকার তার সবই আছে এখানে। বিশ্বের এত বড় ধনী, তার বাসার চারদিকে নেই কোন বেড়া বা সীমানা প্রাচীর। এ বিষয়ে তার পরামর্শ হলো- প্রকৃতপক্ষে আপনার যতটুকু দরকার তার বেশি কিছু কিনবেন না। আপনার সন্তানদেরও এমনটা ভাবতে ও করতে শেখান। নিজের গাড়ি তিনি নিজেই চালান। তার আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেট কোম্পানি। কিন্তু ভ্রমণ করেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে ইকোনমিক ক্লাসে। অনেকেই ভাবতে পারেন, এটা অসম্ভব। কিন্তু তিনি তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।

১৯৫২ সালে ওয়ারেন বাফেট বিয়ে করেন সুসান থম্পসনকে। তাদের রয়েছে তিন সন্তান- সুসান বাফেট, হাওয়ার্ড গ্রাহাম বাফেট এবং পিটার বাফেট। ২০০৪ সালের জুলাই মাসে স্ত্রী সুসান মারা যান। এর আগে ১৯৭৭ সাল থেকে তাদের বিচ্ছেদ না ঘটলেও তারা আলাদা বসবাস করতেন। তাদের মেয়ে সুসান ওমাহাতে বসবাস করেন। তিনি সুসান এ. বাফেট ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সেবামূলক কাজ করেন। ওয়ারেন বাফেট ২০০৬ সালে ৭৬তম জন্মদিনে বিয়ে করেন তার দীর্ঘ দিনের সঙ্গী অ্যাস্ট্রিড মেনঙকে। ২০০৬ সালে ওয়ারেন বাফেটের বার্ষিক বেতন ছিল ১ লাখ ডলার। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তার বেতন বেড়ে হয় ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। ওমাহা এলাকার ডান্ডিতে তিনি ৩১ হাজার ৫০০ ডলার দিয়ে বর্তমান বাড়িটি কিনেছিলেন। এর বর্তমান দাম ৭ লাখ ডলার। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার লেগুনা বিচে রয়েছে তার ৪০ লাখ ডলার দামের একটি বাড়ি।

তিনি খুব ভাল তাস খেলতে জানেন। তাস খেলেন শ্যারন ওসবার্গ ও বিল গেটসের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২ ঘণ্টা কাটে তার তাস খেলে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে খবর প্রকাশিত হয় যে, ওয়ারেন কোন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। তাছাড়া তার ডেস্কে নেই কোন কম্পিউটার। তার কোম্পানি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে এখন ৬৩টি কোম্পানির মালিক। এসব কোম্পানির প্রধান নির্বাহী অফিসারকে তিনি বছরে মাত্র একটি চিঠি লেখেন। তাতে সারা বছরের কর্মকৌশল বলে দেয়া থাকে। নিয়মিত তাদেরকে নিয়ে তিনি মিটিং করেন না। এজন্য তার পরামর্শ হলো- ঠিক জায়গায় ঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত কর্বন। অর্থাৎ ঠিক জায়গায় ঠিক ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হলে তাকে কাজের কথা বলে দিতে হয় না। ওয়ারেন বাফেট তার নির্বাহীদের দু’টি মাত্র নিয়ম বলে দিয়েছেন। তার প্রথমটি হলো- শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ নষ্ট করো না। দ্বিতীয় নিয়মটি হলো- প্রথম নিয়মকে ভুলে যাবে না। লক্ষ্য স্থির করো এবং সেদিকে লোকের দৃষ্টি কাড়তে চেষ্টা করো।

তার জীবনধারাকে স্পর্শ করেনি সমাজের উচ্চশ্রেণীর সামাজিকতা। তিনি নিজেই নিজের খাবার তৈরি করেন। কিছু পপকর্ন নিজেই প্রস্তুত করে খান এবং বাসায় বসে টেলিভিশন দেখেন। তার সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিল গেটসের পরিচয় হয় মাত্র ৫ বছর আগে। তখনও বিল গেটস জানতেন না যে, ওয়ারেনের সঙ্গে তার অনেকটাই মিল আছে। ফলে মাত্র আধা ঘণ্টা পর তিনি ওয়ারেনের সঙ্গে দেখা করেন। যখন ওয়ারেনের সঙ্গে তার দেখা হয় তা স্থায়ী হয়েছিল দশ ঘণ্টা। এর পর থেকেই তার ভক্ত হয়ে যান বিল গেটস।

যুব সম্প্রদায়ের জন্য ওয়ারেন বাফেটের পরামর্শ হলো- ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক লোন থেকে দূরে থাকুন। নিজের যা আছে তাই বিনিয়োগ করুন। মনে রাখবেন- ক) টাকা মানুষ সৃষ্টি করে না। কিন্তু মানুষ টাকা সৃষ্টি করে। খ) যতটা সম্ভব জীবনধারাকে সহজ-সরল করার চেষ্টা করুন। গ) অন্যরা যা বলে তাই করবেন না। তাদের কথা শুনুন। তারপর আপনার যা ভাল মনে হয় তাই করুন। ঘ) অপ্রয়োজনীয় কোন বিষয়ে অর্থ খরচ করবেন না। ঙ) জীবন আপনার। সেজন্য আপনার জীবনকে চালাতে অন্যদের কেন সুযোগ দেবেন?
^