Latest News:

KEDAR INFO SERVICE (PRIVATE COMPUTER TRAINING, SERVICE, MOBILE REPAIR TRAINING, VIDEO MIXING TRAINING, ONLINE MOBILE-DTH RECHARGE (ALL INDIA) *** Mobile : 9647225226 ***** Contact For : Blog-Website Design and "ADVERTISE"

Welcome to

Welcome to
WELCOME to All My Blog Visitors!!! এই ব্লগ দেখার সময় সাউন্ড সিস্টেম অন করুন.. এই ব্লগ দেখতে দেখতে আপনারা বাংলা এফ রেডিও চ্যানেল থেকে সরাসরি গান শুনতে পাবেন.... ব্লগ ডিজাইন ও বিজ্ঞাপনের জন্য আজই যোগাযোগ করুন.... ভিডিও এডিটিং সফ্টওয়্যার (পিনাকেল, এডোব প্রিমিয়ার ও এডিয়াস ডঙ্গল) আপনার প্রয়োজন............ মোবাইল-ডিটিএইচ রিচার্জ এজেন্সী নিতে চান........ এস্ট্রোলজি সফ্টওয়্যার (কোষ্ঠী বিচার) আপনার প্রয়োজন... এছাড়া কম্পিউটার সফ্টওয়্যার-কম্পিউটার টিপস..রোজগার বিষয়ক তথ্য জানতে আমাকে ই-মেল করুন... সবাইকে আমার পক্ষ থেকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।সবার প্রতিটি দিন ভাল মত কাটুক এই কামনা করি

Thursday, 19 May 2016

Health Tips : থানকুনি পাতা আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং লাবন্য ধরে রাখে


চটজলদি রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা অনেকেই অ্যালোপ্যাথির দ্বারস্থ হয়ে যাই। কষ্ট লাঘবে তখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টা মাথায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগে অ্যান্টিবায়োটিকও চলে আকছার। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ওই সব ওষুধগুলির দামও অনেক সময় নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে হয়ে যায়। অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভেষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। অনেক সময় জেনেও, বিশ্বাস হয় না। তেমনই একটি ভেষজ উদ্ভিদ হল থানকুনি।

থানকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে। কথায় বলে, পেট ভালো থাকলে মনও ফুরফুরে থাকে। চিকিৎসকরাই বলছেন, থানকুনি পাতার এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, মিয়মিত খেতে পারলে, পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর-স্বাস্থ্য তো সতেজ থাকেই, ছোট থেকে খাওয়াতে পারলে বুদ্ধিরও বিকাশ হয়। দেখে নেওয়া যাক, থানকুনি পাতার ভেষজ গুণগুলি।

১. পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।

২. শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।

৩. থানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪. থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
৫. মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।

৬. পুরনো ক্ষত কোনও ওষুধেই না সারলে, থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার জল লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।

৭. থানকুনি পাতা চুল পড়া আটকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

৮. বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।

৯. দাঁতের রোগ সারাতেও থানকুনির জুড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা করলে একটা বড় বাটিতে থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে, তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় চটজলদি।

Health Tips : এই ভেপসা গরমে ঘামাচি থেকে মুক্তি পেতে…


গরম কাল মানেই নানান রকম রোগের প্রকোপ। বিশেষ করে চর্মরোগের। হ্যাঁ, চর্মরোগের জন্য গরম একটা আদর্শ মৌসুম।

কেননা এই সময়ে শরীরে ঘাম প্রচুর হয়, আর সেই ঘামের কারণেও জন্ম নেয় নানান রকম অসুখ বা চর্মরোগ। ঘামাচির কথাটাই ধরুন। গরম এলে অনেকেরই বাড়ে এই ঘামাচির যন্ত্রণা, আবার শীত এলেই কিন্তু গায়েব। ঘামাচি ছাড়াও আরও কিছু বেশ সিরিয়াস ধরনের চর্মরোগ আছে যারা কিনা গরমে বেড়ে যায়। ঘামাচি নিয়েই আজকের আলোচনা।

ঘামাচি?

গরমকালের একটি বিব্রতকর রোগের নাম হচ্ছে ঘামাচি। এ রোগটি গরমকালেই হয়। শীত এলে আপনা আপনিই রোগটি ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগটির নাম হলো মিলিয়ারিয়া। এটি একটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ।

গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ হতে থাকে ফলে তখনকার এত বেশি পরিমাণ নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থির নালীকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে, যা পানিভর্তি ছোট ছোট দানার আকারে ফুলে উঠতে দেখা যায় এবং যা চুলকায় এবং তাতে সামান্য জ্বালাপোড়া ভাবও থাকে।

মূলত এটাই হচ্ছে ঘামাচি।এই রোগ মুক্ত থাকার সাথে অর্থনৈতিক সচ্ছলতার একটা সম্পর্ক আছে। যেমন ধরুন কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে, অফিসে এবং গাড়িতে এয়ারকুলার ব্যবহার করেন তবে বলা যায়, তার এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা গরমকালেও নেই।

যারা তা পারেন না তাদের সব সময়ই ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি ফ্যান অন্তত সার্বক্ষণিকভাবে মাথার ওপরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। খোলামেলা অর্থাৎ আবদ্ধ ঘর না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

ঘামাচি তিন ধরনের হয়। প্রথমে আসা যায় মিলিয়ারিয়া, কৃস্টালিনা­ এ ক্ষেত্রে ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না।

দ্বিতীয়টি অর্থাৎ মিলিয়ারিয়া, রুবরার ক্ষেত্রে ঘর্মনালীতে বদ্ধতা দেখা দেয় এবং এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরে ছোট ছোট অসংখ্য গোটা হতে দেখা যায় এবং গোটার মাথায় পানির দানা থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে এবং ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে আপেক্ষিকভাবে লালচে রঙের দেখা যায়।

এ ক্ষেত্রে থাকে প্রচণ্ড চুলকানি, যা শরীরের মূল অংশ অর্থাৎ বুক, পিঠ ও ঘাড়ে বেশি হতে দেখা যায়। তৃতীয়টি বা মিলিয়ারিয়া প্রফান্ডা এর ক্ষেত্রে ঘর্মানালীর বদ্ধতা থাকে ত্বকের অনেক গভীরে। ফলে ত্বক দেখতে অনেকটা স্বাভাবিক ধরনের বলে মনে হতে পারে।

এ তিনটির মধ্যে দ্বিতীয়টির আক্রমণ হয় বেশি তীব্র। একে Heat rash-ও বলা হয়ে থাকে। গরম ও স্যাঁতস্যেঁতে আবহাওয়ায় এ রোগ বেশি হয়। তেল মাখলে এ রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। যারা এ রোগে ভুগছেন তারা গরম স্যাঁতস্যেঁতে ও আবদ্ধ পরিবেশ এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Fun Story : বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে।

Fun Story : বান্টা সিং ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললো, "বাঁচাও ডাক্তার! অসহ্য ব্যথা করছে। 
যেখানেই ধরি না কেনো, সেটাই মনে হচ্ছে ভেঙ্গে টুকরো হয়ে যাচ্ছে!"

ডাক্তার একটু অবাক হয়ে বললেন, "কি বলছো হে!"
সান্টা বললো, "এই দেখুন, আমি কাঁধে ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে 
অসহ্য ব্যথা করছে। এই দেখুন হাঁটুতে ধরলাম - আউচ!! তারপর দেখুন 
কপালে হাত দিলাম, ওফ কি ব্যথা!"

ডাক্তার একটা দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে বললেন, "সান্টা সিং, 
অসুখটা আমি ধরতে পেরেছি। তোমার আঙ্গুলটা ভেঙ্গে গেছে!"

Bনোদন : তামিল এই অভিনেতার রয়েছে চমকে দেয়ার মতো বিশ্বরেকর্ড..?


তার নাম ব্রহ্মানন্দম। পুরো নাম ব্রহ্মানন্দম কান্নেগান্টি। বয়স ৬০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের তামিল ছবিতে এক নম্বর কমেডিয়ান। অবশ্য তার এই বিশ্বরেকর্ডটি অবাক করে দেয়ার মতো।

একের পর এক পুরস্কার পেয়েছেন ব্রহ্মানন্দম। পেয়েছেন পদ্মশ্রী সম্মানও। এই সবের বাইরে তার নাম রয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ। পৃথিবীতে জীবিত অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি সংখ্যক ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি!

ভারতের তামিল রাজ্যের সবক’টি ভাষার ছবিতেই তিনি অভিনয় করেছেন। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে তিনি সূর্যবংশম ছবিতে অভিনয় করেছেন। অভিনয় করছেন ১৯৮৭ সাল থেকে। তার মতো জনপ্রিয়তা দক্ষিণ ভারতের অনেক নায়কেরও নেই। ব্রহ্মানন্দমকে ছা়ড়া যেন দক্ষিণী ছবি অসম্পূর্ণ।

=> Fun Story : এক শ্বাশুড়ি তিন জামাইয়ের ভালবাসা পরিক্ষার সিদ্ধান্ত নিলো...

.
প্রথম দিন - শ্বাশুড়ি পুকুরে ঝাপ দিল... প্রথম জামাই বাঁচানোর জন্য পুকুরে লাফ দিলো... শ্বাশুড়ি খুশি হয়ে তাকে একটা গাড়ি দিলো...
.
দ্বিতীয় দিন - আবার পুকুরে ঝাপ দিল... দ্বিতীয় জামাইও তাকে বাঁচাল আর শ্বাশুড়ি তাকেও একটা বাইক গিফট করল। 
.
এবার তৃতীয় দিন - আবার পুকুরে ঝাপ দিল... তিন নম্বর জামাই মনে করলো আমার ভাগ্যে
তো সাইকেল ছাড়া কিছু নাই তাই সে আর ঝাপ দিলো না আর !!! 
.
শ্বাশুড়ি মারা গেলো !!!
.
পরের দিন ওই জামাই একটা BMW পেলো !!!
.
কিন্তু কেমন করে ???
.
.
.
.
শ্বশুর দিয়েছে !!!

=> Fun Story : একদিন বিল্লু তার আর এক বন্ধুর সঙ্গে বাংলা আধুনিক গান


=> Fun Story : একদিন বিল্লু তার আর এক বন্ধুর সঙ্গে বাংলা আধুনিক গান নিয়ে চর্চা করছিল। বিল্লুর বন্ধু বলছিল আজকালকার গানগুলো খুব ভাল। আর বিল্লুর কথায় বাংলা গানের ছিরিছাদ নেই। তো জোর তর্ক শুরু হল।
বিল্লুর বন্ধু বলল ঠিক আছে আমি তাহলে বাংলা গান একটা করে গাইছি তুই বল এর মধ্যে খারাপটা কি।
বন্ধু : "চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে..."
বিল্লু : প্রশ্ন শোনো!!! যেন রোজ বাকিদের বাড়িতে এসে চা খেয়ে যায়!!! বন্ধু : "মন মানে না..."
বিল্লু : তোর মন মানে না তো কার বাবার কি হতভাগা!!!
বন্ধু : "পরাণ যায় জ্বলিয়া রে..."
বিল্লু : আগে জল ঢেলে আগুন নেভা তারপর জ্বলা জায়গায় Savlon লাগা ঠিক হয়ে যাবে। ভিতর থেকে জ্বালা হলে পুদিনহারা খা, নিশ্চই চোঁয়া অম্বল হয়েছে।
বন্ধু : "ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও?..."
বিল্লু : নিজেও জানিস না তোর বন্ধু কানে শোনে কি না...!!!
বন্ধু : "দুই পৃথিবী..."
বিল্লু : হ্যাঁ রে, একটা তোর আর একটা তোর শ্বশুরের !!!
বন্ধু : খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে....
বিল্লু : কেন রে! দিনের বেলা দেখতে পাস না বুঝি?

=> ১৯১৪ সালের ডিসেম্বরের রাত।


নিউজার্সির অরেণ্জ শহরে -একটি ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগেছে। যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন ডলার। ফ্যাক্টরীর মালিক বলতে গেলে তাঁর জীবনের সমস্ত সন্চয় ব্যয় করেছেন ফ্যাক্টরিটি তৈরীর পেছনে। মালিক ফ্যাক্টরীর বাইরে দাঁড়িয়ে আগুনের শিখা দেখছেন। আর মিটিমিটি হাসছেন। পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর ২৪ বছরের ছেলে চার্লস। ভদ্রলোক, ছেলেকে হাসতে হাসতে বললেন- যা তোর মাকে তাড়াতাড়ি ডেকে নিয়ে আয়। এমন সুন্দর আগুন একসাথে দেখার সৌভাগ্য মানুষের খুব কমই হয়। মা এসে দেখলেন- তার স্বামীর মুখে হাসি আর পুত্রের চোখে কান্না।
পরদিন ভোরে স্বামী আর স্ত্রী একসাথে হাঁটতে বেরিয়েছেন। একসময় স্ত্রী স্বামীকে বললেন- শুধু তোমার ফ্যাক্টরীই পুড়েনি, তোমার সারা জীবনের সন্চয়ও একসাথে পুড়ে ছাই, ভস্ম হয়ে গেছে। তোমার বিশ্বাস ছিলো ফ্যাক্টরি সম্পূর্ণরুপে ফায়ারপ্রুফ। কোনোদিন আগুনে কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা। তাই ভালোভাবে ইন্সুরেন্স না করায় কোনো টাকাও ফেরত পাবেনা। এসব কিছু জানার পরও তুমি এরকম শিশুর মতো হাসছো?
ভদ্রলোক বললেন- কারখানা পুড়েছে কই? আমিতো কোথাও কোনো পুড়া কারখানা দেখলাম না। তবে হ্যাঁ, দেখেছি শুধুই আগুণ।
তোমার কি রাতে ভালো ঘুম হয়নি?সবকিছু হারিয়ে তুমি কি পাগল হয়ে গেছো? নিজের চোখের সামনে দাউ দাউ করে জ্বলে পুড়ে ছাই, ভস্ম হয়ে গেলো পুরো একটা কারখানা। আর তুমি বলছো-কোনো কারখানাই পুড়েনি। তুমি ঠিক আছোতো?
হ্যাঁ, রাতে খুব শান্তির ঘুম হয়েছে। আমিও পুরোপুরিই ঠিক আছি। আর ঠিক আছি বলেই বুঝতে পারছি- আগুনে কোনো কারখানা পুড়েনি, পুড়েছে শুধু আমার অহঙ্কার, পুড়ে শেষ হয়ে গেছে আমার জীবনের সব ত্রুটি,বিচ্যুতি আর ভুল। একটা কারখানা পুড়েছে, আরেকটা কারখানা তৈরী হবে তাতে কোনো দুঃখ নাই। তারচেয়ে বরং খুশী এই জন্য যে- আমার অহঙ্কার, ত্রুটি, বিচ্যুতি সব পুড়ে গিয়ে স্রষ্টা আমাকে নতুনভাবে আবারো জীবন শুরু করে দেয়ার একটা সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন।
ফ্যাক্টরীর মালিক এই ভদ্রলোক ছিলেন পৃথিবীর পাঁচজন সেরা বিজ্ঞানীর একজন টমাস আলভা এডিসন। আর যখন তিনি নতুন করে পুনরায় জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন, তখন তাঁর বয়স ছিলো ৬৭। উদ্যম, প্রেরণা আর ধ্বংসস্তূপ থেকে পুনরায় জীবন শুরু করার মতো মোটিভেশনের এমন অনুপম দৃষ্টান্ত আর কি হতে পারে?
^