লাইফস্টাইল এবং প্রতিনিয়ত বাহিরের খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরণের রোগের সৃষ্টি হচ্ছে।
যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভাল কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। সম্প্রতি টাইম্স অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে কীভাবে আয়ুর্বেদিক ঔষধ আমাদের শরীরের ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে তা আলোচনা করা হয়।
কোলেস্টেরল এমন একটি উপাদান যা আমাদের শরীরের সেলুলার স্বাস্থ্য মেইনটেন করে। এটি একটি লিপিড বা ফ্যাট যা আমাদের শরীরের রক্তনালীর সাথে প্রবাহিত হয়।
সাধারণত দুই ধরণের কোলেস্টেরল রয়েছে। একটি আমাদের শরীরের জন্য ভাল এবং আরেকটি অস্বাস্থ্যকর। আমরা আমাদের খাদ্য থেকে এ সকল কোলেস্টেরল পেয়ে থাকি। কিন্তু আমাদের শরীরে স্বয়ংক্রিয়ভাবেও কোলেস্টেরল এর উৎপত্তি হতে পারে। যার ফলে আর্টারিতে সমস্যা হতে পারে।
আয়ুর্বেদিক উপায়ে যেভাবে আপনার কোলেস্টেরল কমাতে পারেন তা নিম্নে জেনে নিন-
১. রসুনঃ
আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় অবশ্যই রসুনের ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মাত্র এক কোষ রসুন খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার বয়ে আনে। সারাদিনে মাঝে মাঝে দুই-তিনবার রসুন খাবার অভ্যাস করুন। এতে আপনার শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমে যাবে এবং রক্ত-ধমনীতে রক্ত প্রবাহে কোন সমস্যা হবে না।
২. ধনে-পাতাঃ
বিভিন্ন ধরণের খাবার আরও সুস্বাদু করার জন্য আমরা ধনে-পাতার ব্যবহার করে থাকি। এটি আমাদের শরীরের বিষাক্ত পদার্থসমূহ দূর করার পাশাপাশি কোলেস্টেরলের সমস্যাও দূর করে।
৩. তুলসীঃ
তুলসী সকলের নিকট ঔষধি গাছ হিসেবেই পরিচিত। তুলসী পাতার চা বা এই পাতা সেঁচে এর রস পান করলেও কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৪. মুকুল গন্ধরসঃ
মুকুল গন্ধরস থেকে বিভিন্ন ধরণের পণ্য তৈরি করা হয়। যা ব্যবহার করার মাধ্যমে কোলেস্টেরল কমে যেতে পারে।
৫. অর্জুনঃ
অর্জুন এর সাদা বাকলে ধমনীতে থাকা কোলেস্টেরল দ্রবীভূত করার ঔষধি বৈশিষ্ট্য আছে। অর্জুনের বাকল বিভিন্ন দোকানে একটি পাউডার এর মত তৈরি করে বিক্রি করা হয়।


No comments:
Post a Comment